গল্পঃ ভালোবাসা এমনও হয় পর্ব (২৫)




 গল্পঃ ভালোবাসা এমনও হয়

পর্ব (২৫)




নীড়ঃ এতো ভালোবাসা ও যায়(অবাক হয়ে)


নেশাঃ কিছু ভালোবাসা এমনও হয় নীড়☺


নীড়ঃ আর আমার ভালোবাসা ও এমনই নেশা।।তুমি আমায় ভালোবাসো আর নাই বাসো আমি তোমাকে সারাজীবন ভালোবাসবো।।আর নিজের কাছেই রাখবো।।খুব শিগগিরই তোমাকে নিজের করবো কথা দিলাম(মনে মনে)


নেশাঃ ঈশা ভাইয়াকে ভালোবাসে তা কি জানেন


নীড়ঃ হুম(দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে)


নেশাঃ এখন তাহলে কি করবে সে?


নীড়ঃ জানি নাহ কি করবে।।তোমার ভাইয়া কি করবে?


নেশাঃ সেটা ভাইয়ার উপর ছেড়ে দিয়েছি।।খুব সহজে ঈশাকে ক্ষমা করতে পারবে নাহ।।বাট ভুলতেও পারবে নাহ।। ভাইয়া ভালোবাসা আর ঘৃণা দুইটাই খুব ভালো করতে পারে।।


নীড়ঃ ওহহ।।আর ঈশা মনে হয় নাহ ডিরেক্টলি গিয়ে কথা বলবে।।ও এমনিতে একটু দুষ্টু বেশি হলেও নিজের ভুলটা সহজে প্রকাশ করতে পারে নাহ


নেশাঃ অন্য সব মুহুর্ত আর আর এই মুহুর্ত টা এক নাহ।।এখন তারা একে অন্যকে ভালোবাসে। দেখা যাক কি হয়।আমরা তো রইলাম তাদের প্রেম কাহিনি দেখার জন্য😅


নীড়ঃ কই নিজে একটু প্রেম করবো তা না মানুষের প্রেম দেখতে হবে এখন😒(মনে মনে)


নেশাঃ চলুম যাওয়া যাক।


নীড়ঃ হ্যা চলো।


দুইজন বাড়ি ফিরে গেল।।

চৌধুরী বাড়ি


নেশাঃ খালামনি ভাইয়া খেয়েছে?


মিনাঃ নাহ।।ওই শয়তানের কথা মনে করে মন খারাপ করে বসে আছে।।


নেশাঃ আমি দেখছি।।


ইশানের রুমে-


নেশাঃ আসবো ভাইয়া


ইশানঃ হুম আয়


নেশাঃ তুমি এখনো খাওনি কেন।।নিহার প্রেমে টান দিচ্ছে নাকি(দুষ্টু হেসে)নাকি আগের লাইফের কথা মনে পড়ছে


ইশানঃ মানে🤨


নেশাঃ ওই যে কলেজ লাইফের কথা।।একটার পরে আরেকটা😅।।এইবার কিন্তু আর চান্স পাবে নাহ।আমার পাশাপাশি এখন ঈশাও আছে😅😂।।আগের বার বেঁচে গেছিলে এইবার মিস হবে নাহ কিন্তু গণধোলাইয়ের হাত থেকে বাঁচা ইম্পসিবল 😁


ইশানঃ 😄😄


নেশাঃ এইতো হাসি ফুটেছে।।এখন খেয়ে নাও


ইশানঃ ইচ্ছা করছে নাহ


নেশাঃ কেন?? মুড অফ বুঝি


ইশানঃ হুম


নেশাঃ কিন্তু কার জন্য


ইশানঃ 😔😔


নেশাঃ আমি যাওয়ার পর ঈশার সাথে কথা হয়েছে?


ইশানঃ নাহ কিছু না বলেই চলে গেছে


নেশাঃ তাহলে এখন কি করবে


ইশানঃ কি করবো আর।।ঈশা তো আমায় ভালোবাসে নাহ


নেশাঃ কে বললো ও তোমায় ভালোবাসে নাহ!!!!


ইশানঃ ও তো অভিনয় করেছিলো ভালোবাসার


নেশাঃ বাট ও তোমায় ভালোবাসে আমি সিউর।।অভিনয় করতে করতে ভালোবেসে ফেলেছে তোমায়।


ইশানঃ তুই কি সত্যি বলছিস??অভিনয় করতে করতে ভালোবাসা কি হয়


নেশাঃ হয় তো।।


ইশানঃ কিন্তু আমি যখন তোর সাথে….(এতোটুকু বলেই ইশান থেমে গেল।।কথাটা বলতে চায়নি বাট মুখ ফসকে বেরিয়ে গেছে)


ইশানঃ আই এম সরি নেশা আমি..


নেশাঃ বাদ দাও।।তো এখন কি ঈশার সাথে কথা বলবে নাহ?


ইশানঃ মন সায় দিচ্ছে নাহ নেশা।।ও যদি আমায় ভালো না বাসে।।আর সত্যি তো তোর সাথে যে অপরাধ করেছি তার শাস্তি তো আমায় ভোগ করতেই হবে।।তুই তো আর শাস্তি দিবি নাহ।।হয়তো ঈশা দিবে😥


নেশাঃ অনেক ভালোবাসো তাই নাহ


ইশানঃ হুম


ইশানঃ আচ্ছা নীড়….


নেশাঃ কি নীড়???


ইশানঃ নীড় কি তোকে পছন্দ করে???


নেশাঃ হঠাৎ এই কথা???


ইশানঃ মনে হচ্ছে তাই বললাম।।তোর পিছন পিছনই বেরিয়ে গেছিলো


নেশাঃ আমার সাথেই ছিলো


ইশানঃ ওহহ।।তোর পিছনে কেন ছিলো!!!!


নেশাঃ সরি বলতে।।আসলে তোমার সাথে অভিনয় করার জন্য খুব রাগ করেছিলাম আর থাপ্পড় ও দিয়ে ছিলাম উনাকে😞


ইশানঃ কি বলিস রে😲।।তা থাপ্পড় ও খেল আবার নিজেই সরি বলতে ও গেল😉


নেশাঃ হুম😅


ইশানঃ তাহলে তো এটাই প্রুভ ও তোকে লাইক করে


নেশাঃ হয়তো


ইশানঃ ছেলেটা কিন্তু খারাপ নাহ


নেশাঃ জানি


ইশানঃ সব নতুন করে শুরু কর


নেশাঃ বুঝলাম নাহ!!!!!!!


ইশানঃ নেশা যা হয়ে গেছে তা ভুলে যা।।নীড়কে নিয়ে তোর একবার ভাবা উচিত নতুন করে।।


নেশাঃ তুমি কি খাবে নাহ???


ইশানঃ কথা ঘুরাচ্ছিস!!!! দেখ নেশা এরিয়ে গেলেই সত্যি টা আড়াল করা যায় নাহ। হয়তো তুই আমাকে…… মানে আমার জন্য তোর আলাদা একটা ফিলিংস ছিলো।।দোষটা আমারই ছিলো।।বাট অনেকটা সময় কেটে গেছে নেশা।।তোর ও মুভ অন করা উচিত


নেশাঃ আমি দেখছি ভাইয়া😞


ইশানঃ যা বললাম একটু ভেবে দেখিস


নেশাঃ হুম।।তুমি খেয়ে নিও


নেশা ধীরে ধীরে বেরিয়ে গেল।






এক মাস পর


ইশান প্রায় এখন অনেকটাই সুস্থ। তাই আজ অফিসে গিয়েছে।।গিয়ে দেখলো ঈশাকে।।


ঈশাঃ কেমন আছো ইশান


ইশানঃ ভালো


হঠাৎ রুমে কেউ নক করলো।।


রুমিঃ মে আই কাম ইম স্যার


ইশানঃ ইয়েস কাম


ঈশাঃ???????


ইশানঃ ও আমার নতুন পিএ।। ডিলটা নিয়ে ও এখন তোমায় সাহায্য করবে।।আসলে আমি একটু অসুস্থ।। তাই টাইম বেশি দিতে পারবো নাহ।।


ঈশাঃ বাট তোমার পিএ তো একটা ছেলে ছিলো তাই নাহ🤔


ইশানঃ ছিলো বাট আজ থেকে ও।। তোমার কোন প্রবলেম??


ঈশাঃ নাহ প্রবলেম কেন হতে যাবে🙁




এইভাবে আরো কয়েকদিন কেটে গেল।।

ইশান এখন ঈশাকে ওতোটা সময় দেয় নাহ।।তাদের কাজগুলোও প্রায় শেষ।। ঈশা ও নিজের ইগোর কারনে ইশানের সাথে কথা বলতে যায় নাহ।।কিন্তু দুইজনেই খুব কষ্ট পাচ্ছে।।


নেশাঃ ভাইয়া এইভাবে আর কতোদিন চলবে


ইশানঃ কি চলবে?????


নেশাঃ এই যে তুমি ঈশাকে এভয়েড করছো


ইশানঃ যে আমাকে ভালোবাসে নাহ তাকে এভয়েড করাটাই ভালো নেশা


নেশাঃ কে বললো তোমায় যে ও তোমায় ভালোবাসে নাহ


ইশানঃ যদি ভালোবাসতো তাহলে আমার সাথে এট লাস্ট কথা বলার চেষ্টা করতো।।


নেশাঃ কিন্তু তাই বলে তুমি


ইশানঃ নেশা প্লিজ আমি এই ব্যাপারে তোর সাথে কথা বলতে চাই নাহ।।


নেশাঃ ধুর কিছু তো একটা করতে হবে তোমাদের মিলানোর জন্য।।না হয় আমি তোমায় নাই পেলাম।।কিন্তু তোমাকে এইভাবে কষ্টে দেখতে পারবো নাহ।।একটা কাজ করি নীড়ের সাথে কথা বলে দেখি(মনে মনে)




নেশাঃ হ্যালো নীড়


নীড়ঃ কি ব্যাপার।। সূর্য আজ কোনদিকে উঠেছে।।মহারানী নিজে ফোন দিয়েছে।। মিস করছিলে বুঝি


নেশাঃ ছাড়ুন আপনার আজাইরা পেচাল।।শুনুন নাহ


নীড়ঃ বলুন নাহ


নেশাঃ আমাকে কপি করা হচ্ছে😡


নীড়ঃ আমাকে কপি করা হচ্ছে😋


নেশাঃ আমি কিন্তু রেখে দিবো


নীড়ঃ আমি কিন্তু রেখে দিবো🙈


নেশাঃ ধুর ব*******


নীড়ঃ 😝।।আচ্ছা আচ্ছা রাগ করো নাহ ময়না পাখি।।বলো কি বলবে


(ওয়েট ওয়েট ওরা প্রেম টেম করছে নাহ কিন্তু।।আসলে এই কয়েকদিনে নীড় নেশার সাথে অনেকটাই ফ্রি হয়ে গেছে)


নেশাঃ আসলে


নীড়ঃ উফ বলবা তো


নেশাঃ আচ্ছা ঈশার কি খবর


নীড়ঃ ওর তো ভালোই খবর🙄


নেশাঃ ও কি ভাইয়া কে মিস করছে নাহ


নীড়ঃ এইটা জানার জন্য আমাকে ফোন দিয়েছো আর আমি ভাবলাম💔


নেশাঃ বলুন নাহ কচু😒


নীড়ঃ কচু😂


নেশাঃ উফফ কেন মজা করছেন।। আমি সিরিয়াস


নীড়ঃ আচ্ছা বাবা বলো কি হয়েছে।।ঈশার খবর কেন নিচ্ছও


নেশাঃ আগে বলুন তারপর বলছি


নীড়ঃ কি আর বলবো চুপচাপ হয়ে গেছে।।মামনি বললো এখন নাকি বাড়িতে এসে রাগারাগি ও করে


নেশাঃ ভাইয়া ও আগের থেকে চুপচাপ হয়ে গেছে।।ওদের দুইজনকে দেখে তো মনে হয় নাহ ওরা কোন দিন নিজে থেকে আরেকজনের সাথে কথা বলতে যাবে।।এখন আমাদেরই কিছু করতে হবে।


নীড়ঃ হুম চলো এক কাজ করি।।আমরা দুইজন বিয়ে করে ফেলি।।তাহলে ওদের দুইজনের দেখা সাক্ষাৎ ও বেশি হবে।।তখন আর কথা নাহ বলে পারবে নাহ🥴😝


নেশাঃ আপনি মজা করা অফ করবেন😡


নীড়ঃ আমি মজা করে বলেনি বেবি


নেশাঃ এই টপিক বাদ


নীড়ঃ ওকে।।তো এখন বলো কি করবে ভাবছো


নেশাঃ আমার একটা আইডিয়া আছে।। সেই অনুযায়ী কাজ করলে মনে হয় কাজ হবে।


নীড়ঃ শুনি কি আইডিয়া


(ওরা দুইজন বরং প্লেন করুক।। আমরা বরং পরে শুনবো😉)





২ দিন পর


নীড়ঃ ঈশা তোর সাথে কি ইশানের সব কিছু শেষ হয়ে গেছে???


ঈশাঃ মানে??


নীড়ঃ নাহ শুনলাম ইশানের বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে।।আজ নাকি ইশান মেয়েকে দেখতে গেছে।।মেয়েটা নাকি খুব সুন্দরী


ঈশাঃ কিহহহহ😲😲😲😲😲


নীড়ঃ হ্যাঁ রে


ঈশাঃ তোকে কে বললো


নীড়ঃ আরে নেশা বললো যে ইশান নাকি আজ মেয়েকে দেখতে গেছে।।তাই তোকে জিজ্ঞাসা করলাম তোর সাথে সব কিছু শেষ কিনা


ঈশাঃ আমি তো এইসবের কিছুই জানি নাহ😥


নীড়ঃ ওহহ থাক বাদ দে।।তুই ও তো ওকে ভালোবাসিস নাহ।।তাহলে ওর বিয়ে হোক না যাই হোক তাতে আর কি আসে যায়।।শুনলাম ইশান নাকি এই বিয়েতে খুব খুশি


ঈশাঃ হে হবে নাহ খুশি।।এখন তো আমাকে সহ্যই করতে পারে নাহ😭(মনে মনে)


নীড়ঃ প্রথম প্রথম তো বলেছে নাকি তোকে অনেক ভালোবাসে।।না মানে নেশা বলেছিলো তুই ফিরিয়ে দেওয়ার পর নাকি খুব কান্নাকাটি ও করছিলো।।আমি তো শুনে ভেবেছিলাম তোকে ছাড়া বুঝি আর কাউকে বিয়েই করবে নাহ। বাট দেখ ঠিকই বিয়ে করতে রাজি হয়ে গেল।।


ঈশাঃ 😤😤😤


নীড়ঃ সে যাই করুক।।তুই যদি তাকে পছন্দ করতি তা হলে না হয় একটা কিছু করা যেত।।কিন্তু তুই তো পছন্দই করিস নাহ।।তখন আর এই বিয়ে আটকিয়ে কি লাভ😪😪😪


ঈশাঃ যদি পছন্দ করতাম তখন কি করতি ভাইয়া


নীড়ঃ আমি আর কি করতাম।।তোকে সোজা এখন ওই খানে পাঠাতাম।।তুই গিয়ে মেয়েটাকে ইচ্ছা মতো ধোলাই দিতি আরকি।।সাথে ইশানকে।।তোর সাথে প্রেমের কথা বলে অন্যকাউকে বিয়ে করবে এটা মানা যায় নাকি।।বাট তুই তো পছন্দই করিস নাহ


ঈশাঃ ঠিক বলেছিস ভাইয়া।।ওকে তো ছেড়ে দেয়া যায় নাহ।।আমাকে পাগল করে ও শান্তিতে আরেকজনকে বিয়ে করবে তাতো কিছুতেই হতে পারেন।।ওকে তো আমি দেখে নিবো।।কোথায় গেছে রে ওই মেয়েকে দেখতে


নীড়ঃ শুনলাম রয়েল রিসোর্টে গেছে।বাট তুই গিয়ে কি করবি


ঈশাঃ 😡😡😡


নীড়ঃ ওকে ওকে যা যা।।আমি কি ধরে রেখেছি নাকি🤫🤫





রয়েল রিসোর্টে –


ঈশা রেগেমেগে ভিতরে ঢুকলো। গিয়ে দেখলো নীড় যা বলেছে তাই।।ইশান আর আরেকটা মেয়ে ভিতরে বসে আলাপ করছে।।মেয়েটা ঈশার দিকে পিঠ দিয়ে বসে আছে তাই ঈশা মেয়েটাকে দেখতে পেল নাহ।।আর সেই দিকে তার মাথা ব্যাথাও নেই।।সে তো সোজা গিয়ে ইশানের শার্টের কলার ধরে দাড়া করালো


ইশানঃ আরে তুমি😟😟


ঈশাঃ চুপ কর হাল****ক****ম*****🤬🤬🤬তোর এতো সাহস কি ভাবে হলো বিয়ে করার হ্যা।।।আমাকে ছেড়ে এখানে এসেছিস বিয়ে করতে।।স***তুই নাহ বলেছিলি আমায় ভালোবাসোস।।আমাকে বিয়ে করবি তো এখানে কি করছিস হ্যা।।কোন ম*** রে বিয়ে করছিস।।আমাকে ছেড়ে আরেকজনকে বিয়ে করবি আর আমি তাকিয়ে তাকিয়ে দেখবো।।এতোই সহজ।।আর এতো সেজে এসেছিস কেন হ্যা😡😡😡মেয়ে দেখলেই মনে লাড্ডু ফুটতে শুরু করে।।এতো দিন ওই পিএর সাথে লটরপটর করেছিস কিছু বলিনি এখন সরাসরি বিয়ে


ইশানঃ কিসব বলছো তুমি আর আমার শার্ট ছিড়ে যাবো তো এইভাবে কেউ টানে


ঈশাঃ ছিড়ুক🤬।।কু***বা*** এইখানে আমার মনটা ভেঙে খন্ড খন্ড করে ফেলছে আর নিজে শার্ট নিয়ে পড়ে আছে।।তোর নামে তো আমি কেস করবো তোকে আমি ফাঁসিতে ঝুলাবো।।জ****😭😭😭😭😭


ইশানঃ আবার কাদছো কেন শুধু শুধু।।।আর আমি কি করেছি😕😟😟😰


ঈশাঃ তুই সব করেছিস হা****😭😭।।আমার সব শেষ করে এখন আরেক মেয়েকে বিয়ে করতে যাচ্ছিস লজ্জা করে নাহ।।নির্লজ্জ বেডা।।🤬।আমাকে ছাড়া আর কাউকে বিয়ে করলে তোকে আমি খুন করে ফেলবো।।দেখি তোকে কে বিয়ে করে তাকে তোর সাথে মাটিতে পুতে দিবো।।খুন সখ নাহ বিয়ে করার।।দাড়া মিটাচ্ছি।।আগে মেয়েটাকে হ্যান্ডেল করে নেই দাড়া।।তারপর তোর ক্লাস নিচ্ছি।।


মেয়েটার দিকে তাকিয়ে


ঈশাঃ এই মেয়ে শো…………..


ঈশাঃ তুমি😳😕😟🙁🤕🤥🤥🤥🤥😣🙄🙄😐😐😐😐😐😐😐😐😐😲😨😵😵😵😵😵😵




চলবে🙄

Comments

Popular posts from this blog

ভালোবাসা এমনও হয় পর্ব (২৮)

ভালোবাসা এমনও হয় পর্ব (০৬)

গল্পঃ ভালোবাসা এমনও হয় পর্ব (২১)